রোহিঙ্গা মানবিক কার্যক্রমে জেআরপি ২০২০-কে হতে হবে সত্যিকার অর্থেই একটি ‘যৌথ পরিকল্পনা’। স্বচ্ছতা ও স্থানীয় পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আবশ্যক : দীর্ঘ প্রেক্ষিত বিবেচনায় নিয়ে একটা ‘ব্যবস্থার’ উদ্যোগ নিন: বর্তমান ব্যবস্থা সাময়িক ও অসংগঠিত মনে হয়

0

আমরা, এসইজি (স্ট্র্যাটেজিক এক্সিকিউটিভ গ্রæপ)-এ স্থানীয় এবং জাতীয় এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় প্রস্তুতকৃত জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান (জেআরপি) ২০২০-এর খসড়ার বিষয়ে আমাদের অবস্থান জানাতে এই অবস্থানপত্রটি উপস্থাপন করছি। জাতিসংঘ অঙ্গসংস্থাসমূহ রোহিঙ্গা কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিতে আইএসসিজি (ইন্টার সেক্টোরাল কো-অর্ডিনেশন গ্রæপ)-কে নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য এই এসইজি গঠন করেছে। আমরা কক্সবাজারে মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট স্থানীয় নাগরিক সমাজ সংগঠনের নেটওয়ার্ক সিসিএনএফ (কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম (www.cxb-cso-ngo.org)-এরও অংশ, এবং আমরা রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ‘স্বল্পমেয়াদী এবং প্রত্যাবাসন’-এর পরিবর্তে ‘দীর্ঘমেয়াদী এবং প্রত্যাবাসন’-এর জোরালো সমর্থক। প্রত্যাবাসসেন কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু তা হতে হবে টেকসই, অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের যাতে বার বার এদেশে না আসতে হয়। বিলম্বিত হলেও, আইসিজে ও আইসিসি’র কারণে এবার কিছু উৎসাহব্যাঞ্জক অবস্থা পরিলক্ষিত হচ্ছে। পরিস্থিতি খুবই গতিশীল, প্রতিদিন পরিবর্তন হচ্ছে। সুতরাং এ ধরনের দলিলের ক্ষেত্রে সকল ধরনের অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) মতামত দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
জেআরপি ২০২০ বিষয়ে মন্তব্য এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় এডভোকেসিতে সিসিএনএফ/ স্ট্র্যাটেজিক এক্সিকিউটিভ গ্রæপে স্থানীয় ও জাতীয় এনজিও প্রতিনিধিদের অবস্থান । বাংলা ভার্সন ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

Share.

Comments are closed.